উড়োচিঠি ০৭
উড়োচিঠি - ৭
বড় গাছের পাতাদের মত রোদ ছিনিয়ে নিচ্ছে কিছু বা কেউ। আমি যেন হাওয়ার ভাসতে ভাসতে ভূমি ছোঁয়া পাতার মতোন, দমকা হাওয়ায় উড়ে জলে বিসর্জিত শিমুল তুলোর মতোন। তুমি কি না ভাবো ধূলো ঝড়ে চোখে পড়া বালুকণা!
এমন করে আক্রান্ত হয়ো না প্রিয় যা আমি জনিত ব্যথাকে ভুলিয়ে দেয়, ফিকে করে দেয় আমার অস্তিত্ব। তুমিহীন আমার যে পরাগায়ন বিমুখ সূর্যমুখীর একগুঁয়েমির জীবন গোলক গ্রহে একদিন ঘড়ির কাঁটায় চেপে যদি বাঁক নেয় ১৮০°, তবে হয়তো ভীষণ অভিমানে আমিও খুঁজে নেব বিকল্প সুন্দর। ততোদিনে যদি যায়ও যুগ তখন তোমার পেরিয়ে যাওয়া তারুণ্য মন ভরাতে অক্ষম দীপ্ত চতুরের।
আমি কিন্তু তখনো প্রকট জীনে বহন করবো পূর্বসূরীদের তেজ দীপ্ত জ্যোতি যা অক্ষম প্রতিবেশে স্বেচ্ছায় নিজেকে সঁপেছে গ্রহণের কবলে।
এতো খোলামেলা মনে তবুও যা গোপন, বেলা শেষে স্বজন ও দুর্জনেরা জেনে যাবে ঠিক কে কাকে ঠকিয়েছিলাম কতটা। চোখের জলে উপচে পড়া বিলে হাঁসের মতন পৌনঃপুনিক মুখ ডুবিয়ে স্বস্তি খুঁজি তবু। রাত-বিরেতে একটা ডাহুক কেঁদে উঠে কেবল। বহুদূরে যেন প্রতিত্তোর হয়! কখনো আবছা বুঝি, কখনো বুঝিও না। হায়, পেয়ে গেলে বুঝি কমে যায় আকর্ষণ! পেয়ে গেলে কেন যে বেড়ে যায় অবহেলা! পেয়েও হারালে জীবন কেন যে হয় এত এলোমেলো!
লেবেলসমূহ: উড়োচিঠি


0টি মন্তব্য:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
এতে সদস্যতা মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন [Atom]
<< হোম