বুধবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২২

রগরগে কবিতা



১.

পর্ন ও মৈথুন 

প্রায় প্রতি মাসে দু-একবার আমিও পর্ণছবি দেখি। মাঝেমধ্যে বিগার উঠলে পাশের বাড়ির নাদান কিশোরী, নতুন-পুরান বান্ধবী, সাদাসিধা-কেবলা নিকট পরিচিতা, স্মার্ট-সেক্সি সহপাঠী, সিনিয়র-জুনিয়র অফিস কলিগ, গায়িকা-নায়িকা, অমুক-তমুক আরও হাবিজাবিদের নিয়ে উল্টাপাল্টা কল্পনা করার চেয়ে স্বমেহন অনেক ভালো। তাই বলে সুখী বিবাহিত জীবনে কিংবা বার্ধক্যে এসে পর্ণছবি বা মৈথুন নিষিদ্ধ গলাবাজি কিংবা লেখালেখির পক্ষে আমি না।



২.

ঘুম ভেঙে 

প্রচন্ড শীত। নিজের এক পা আরেক পা কে সহ্য করতে চায় না। গাঢ় কুয়াশা ঢাল বেয়ে বেয়ে টুপটাপ বৃষ্টি বানায়। দশদিক জুড়ে ঠান্ডা। হঠাৎ নির্ভেজাল উষ্ণতার আকুতি নিয়ে তুমি। শরীর গরমের কত কলাকৌশল। 

টুপটাপ ঝরছে কুয়াশা বৃষ্টির মতো। ভিজে যাচ্ছে ছাদে ফেলে রাখা জামা, বারান্দার চেয়ার, খোলা প্রকৃতির অবস্থা তথৈবচ। 

শরীরের মাঝ বরাবর ঠান্ডা হয়ে আসছে। কুয়াশা ঝরছে। শীত জাঁকিয়ে বসেছে। হাত দিয়ে কুয়াশা ছুঁতে যাই। ছুঁইও, ততক্ষণে বুঝে ফেলি- পরনের প্যান্ট আছে ভিজে।



৩.

হোটেল প্রভাতী, রুম নং. ৪১৯

পাশের জানালায় অপেক্ষায় বিবস্ত্র নারী

নর তখনো ব্যস্ত মুঠোফোনে

নারী কখনো ফাঁক করে উরুযুগল

কখনো চেপে ধরে মর্দন চলে দু'পায়ে

এপাশ-ওপাশ করে বিছানায়।

এপাশে আমি কুশিলবের আড়ালে

সাদা আলোয় নীল চলচিত্রের বিস্মিত দর্শক!


হঠাৎ নিভে গেলে মূল আলো, আবছা আলোয়

ছায়ার মতো শরীরেরা খেলে চলে!


জ্বালা ধরা শরীরের ছটফটানি নেভাতে

নিভৃতে নিজেকে বাজাই

জেগে উঠে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ

বিস্ফোরিত হয় লাভার উদগিরণ

ছায়ার মতো শরীরেরা খেলে চলে

আমি ভেসে যাই...।



৪.

হেটারো সম্পর্ক

আমি সম্পর্ক করতে এবং ধরে রাখতে ভালোবাসি যদি না তা খুব বিরক্তিকর হয়। তার শরীরের রঙ ও গড়ন, ধর্মীয় বিশ্বাস, অর্থনৈতিক অবস্থা, বড় কি ছোট পোশাক ইত্যাদিতে আমার এলার্জি নেই। সম্পর্কের মানুষটির সাথে কথা বলতে ভালোবাসি 'তাকে ভালোবাসি' বাক্যটি ছাড়াই। কারণে-অকারণে তার হাতটি ধরতে ভালোবাসি। ভালোবাসি শরীর ঘেঁষে বসে থাকতে। তাতে মাঝ বরাবর আমার ভিজে যায় না। তাকে নির্দিধায় গোপন দূর্বলতা জানাতে ভালোবাসি কোনকিছু চেয়ে কিংবা না নিয়ে।



লেবেলসমূহ:

0টি মন্তব্য:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এতে সদস্যতা মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন [Atom]

<< হোম